রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আনুলিয়ার বিলে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে বারবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হয়রানি, মিথ্যা মামলা এবং আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (৪২)। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, তিনি চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে সরকারি বিধি অনুসরণ করে পুকুর খননের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্রও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষনখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম খলিল চাকরির পাশাপাশি এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিন ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনকে প্রভাবিত করে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মামলা এবং ব্যবহৃত এক্সকাভেটর মেশিনের ক্ষতিসাধন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাতে মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে ট্রলিতে বহন করা একটি এক্সকাভেটর উপজেলা প্রশাসন আটক করে। পরে গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে গেলে তিনি জানতে পারেন, বন্ধ থাকা পুকুরে রাখা তার এক্সকাভেটর মেশিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাকের দাবি, এসব ঘটনায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ইমান আলী এবং নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম খলিলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া আবেদনে আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, তিনি চাষাবাদ-অযোগ্য জমিতে সরকারি বিধি অনুসরণ করে পুকুর খননের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্রও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষনখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ইমান আলী এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম খলিল চাকরির পাশাপাশি এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিন ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের কাছ থেকে ভেকু মেশিন ভাড়া না নেওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনকে প্রভাবিত করে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মামলা এবং ব্যবহৃত এক্সকাভেটর মেশিনের ক্ষতিসাধন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, গত ৬ জুলাই রাতে মোহনগঞ্জ মাদ্রাসার সামনে ট্রলিতে বহন করা একটি এক্সকাভেটর উপজেলা প্রশাসন আটক করে। পরে গত ২৬ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে গেলে তিনি জানতে পারেন, বন্ধ থাকা পুকুরে রাখা তার এক্সকাভেটর মেশিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাকের দাবি, এসব ঘটনায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ ইমান আলী এবং নৈশপ্রহরী মো. ইব্রাহিম খলিলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক